পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ক্রমশই যুদ্ধপরিস্থতি তৈরি হয়েছে । ভারতীয় সেনা বাহিনীও এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেনা প্রধান নিজে গিয়ে পরিস্থতি দেখে এসেছেন।

ভারতের ওপর চিন সেনার হামলা, দু’তরফের হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়া এবং ২০ জন ভারতীয় সেনার শহিদ হওয়ার ঘটনায় রীতিমতো শঙ্কাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ৷ পূর্ব গালওয়ান উপত্যকায় এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে ৷ দু’দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে দফায় দফায় বৈঠকেও মিলছে না সমাধানের সূত্র ৷

এই পরিস্থিতিতে কেন আমেরিকা নিজেদের বাহিনী সরাচ্ছে জার্মানি থেকে ? মার্কিন বিদেশসচিব পম্পেও বলছেন, ‘যদি মার্কিন সেনা ওই এলাকায় না থাকে তার মানে তাদের অন্য কোথাও পাঠানো হচ্ছে ৷’ চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কর্মকাণ্ডে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে তারা ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ চিন সাগরে বিপদ তৈরি করছে । মার্কিন বাহিনী যাতে এই হুশিয়ারির জবাব দিতে প্রস্তুত থাকতে, তাই এই সিদ্ধান্ত ৷

গত সপ্তাহে ভারতের ওপর চিনের হামলার কড়া ভাষায় নিন্দা করেন মার্কিন বিদেশসচিব ৷ ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশও করেন তিনি ৷ জানান যে, শুধু ভারতে হামলা নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় উত্তেজনা বাড়িয়েছে পিপল লিবারেশন আর্মি । এর পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতি নিয়েও চিনকে তাঁদের অবস্থান নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মার্কিন বিদেশ সচিব ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বললেও, আমেরিকা কিন্তু চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে, তা  মাইক পম্পেও এর কথায় স্পষ্ট । ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ায় চিনের আগ্রাসনের কারণেই ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনার সংখ্যা কমানো হচ্ছে বলে ধারনে বিশেষজ্ঞ মহলের।

ছবি সুত্র – ন্যাশানাল হেরাল্ড

তথ্যসূত্রঃ এই সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *