আরও এক মারাত্মক সংক্রমনের সন্মুখিন বিশ্ব । সোমবার মার্কিন বিজ্ঞান জার্নাল পিএনএএস-এ প্রকাশিত হল তেমনই এক আশঙ্কার কথা। গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাসের উৎসস্থলও চিন। তাঁদের কথায় জি ৪(G4) নামক এই সোইয়ন ফ্লু ২০১৯ সালের মহামারী ডেকে আনা সোয়াইন ফ্লু এইচ১এন১ (H1N1)-এরই বিবর্তিত রূপ। চিনের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশানের গবেষকরা মনে করছেন, এই ভাইরাসের প্রাণঘাতী মহামারী হয়ে ওঠার সম্ভবনা প্রবল।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে প্রায় ৩০ হাজার শুয়োরের লালারস পরীক্ষা করে ১৭৯টি সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন চিনা গবেষকরা। এর পরবর্তী ধাপে পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখেন, অত্যন্ত ভয়াবহ এই জি ৪ ভাইরাস। মানুষের কোষের কপি তৈরি করতে সক্ষম এই ভাইরাস। সবচেয়ে বড় আশঙ্কা, ঋতু পরিবর্তনকালীন সর্দিকাশির ঔষধের দ্বারা এই ভাইরাসের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

জানা গেছে, চিনে শুয়োরের মাংস বিক্রেতাদের মধ্যে ১০.৪ শতাংশ ব্যক্তি ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, এমনকী ৪.৪ শতাংশ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। এখনই ব্যবস্থা না নিলে অদূর ভবিষ্যতে বড় মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে জি ৪ সংক্রমণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *