চিনের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনার আবহে ২১টি মিগ-২৯ এবং ১২টি সুখোই সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়াও বায়ুসেনার হাতে থাকা ৫৯টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের আধুনিকিকরণের প্রস্তাবও মঞ্জুর করেছে প্রতিরক্ষা দফতর।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের খবর, নতুন যুদ্ধবিমান কেনা এবং বর্তমান যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকিকরণে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৩৮,৯০০ কোটি টাকা। দ্রুততার সঙ্গে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই অধিগ্রহণ ও আধুনিকিকরণ প্রক্রিয়া শেষ করার উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদী সরকার বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির উপরে বিশেষ জোর দিচ্ছে । সম্প্রতি রাশিয়া সফরে গিয়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নতুন যুদ্ধবিমান কেনা এবং বর্তমান যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকিকরণ নিয়ে সবিস্তার আলোচনা করেন। তার ফলাফল এবার অধিগ্রহণ পর্বে সরকারি শিলমোহর পড়ে গেল।

ভারতীয় বায়ুসেনায় ফাইটার স্কোয়াড্রনের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চলছিল, যে কারণে ২১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ও ১২টি সু-৩০ এমকেআই বিমান কেনা হয়েছে। রাশিয়ার থেকে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান কেনা ও আধুনিকিকরণে ৭ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং হ্যাল থেকে সু-৩০ এমকেআই বিমান কেনার জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

এছাড়াও প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ সংক্রান্ত পরিষদ পিনাকা ক্ষেপনাস্ত্র, বিএমপি অস্ত্রের আধুনিকিকরণ এবং সেনাবাহিনীর জন্য সফটওয়্যার ডিফাইন্ড র‌্যাডার, দূর পাল্লার ক্রুস মিসাইল সিস্টেম এবং বায়ু ও নৌসেনার জন্য অস্ত্র কেনার প্রস্তাবেও সবুজ সংকেত দিয়েছে

২৭ জুলাই প্রথম ধাপে একসঙ্গে ছ’টি রাফাল যুদ্ধবিমান হাতে পেতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। গত মাসের শেষেই রাফাল ফাইটার জেট ভারতে চলে আসার কথা ছিল। কিন্তু, বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণের জেরে এই বিলম্ব। অত্যাধুনিক এই রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতীয় বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *