করোনার ভাইরাস লকডাউনের সময়, দেশের বেশিরভাগ সংস্থা ব্যাপক বিক্রয় হ্রাসের সন্মুখীন হয়েছে, অন্যদিকে পার্লে-জি র এই সময়  রেকর্ড পরিমানে বিস্কুট বিক্রয় হয়েছে। জানা গেছে যে গত মার্চ, এপ্রিল এবং মে মাসে, পার্লে-জি গত ৮ দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হয়েছে। ১৯৩৮ সালে সংস্থাটি খোলার পরে এটিই সর্বাধিক বিক্রয় সংখ্যা।

পার্লে-জি বিস্কুট খুবই জনপ্রিয় এবং লোকেরা চা এর সাথে এই বিস্কুটটি খেতে পছন্দ করে। লকডাউনের সময়েও সংস্থার দৃষ্টি  ছিল তাদের জনপ্রিয় পণ্যগুলির উৎপাদন এবং সর্বাধিক বিক্রির দিকে, যা তাদের পক্ষে উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সমস্ত বিস্কুটের বিক্রয় বেড়েছে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে গত তিন মাসে প্রতিটি ভিন্ন মূল্যের বিস্কুটের  বিক্রি কম বেশি অনেক বেড়েছে। এই লকডাউনের সময় ব্রিটানিয়া, গুড ডে, টাইগার, মিল্ক বিকিস, বার্বানস, মেরি, পারেলের ক্র্যাকজ্যাক, মোনাকো এবং হাইড অ্যান্ড সিকের বিক্রয়ও অনেক বেড়েছে।

‘অনেকের কাছে বিস্কুট ছাড়া কিছুই ছিল না’
পার্লে এই সময় তাদের স্বল্প মূল্যের পার্লে-জি ব্র্যান্ডের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছিল, কারণ এটি সমস্ত শ্রেণীর গ্রাহকেরই পছন্দের। লকডাউনের সময় পারলে জি অনেক লোকের জন্য একটি সাধারণ খাবারে পরিণত হয়েছিল। অনেকের কাছে এ ছাড়া কিছুই ছিল না। এটি একটি সাধারণ মানুষের বিস্কুট। যারা রুটি কিনতে পারে না, তারা পার্লে-জি কিনে দেয়। কোম্পানি এই সময় বেশ কয়েকটি রাজ্য সরকার এবং এনজিওর কাছ থেকেও বরাত পেয়েছিল।

প্রতিদিন সেখানে ৪০ কোটি পার্লে-জি বিস্কুট উত্পাদন হয়
প্রতিদিন প্রায় ৪০ কোটি পার্লে-জি বিস্কুট তৈরি হয়। পার্লে-জি বিস্কুটগুলি দেশের ১৩০ টি কারখানায় উত্পাদিত হয়। এর মধ্যে ১২০ টি চুক্তি ভিত্তিক উৎপাদনকারী কারখানা এবং ১০ টি নিজস্ব কারখানা রয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ- লাইভ হিন্দুস্থান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *