বাড়িতে বসেই যদি চুলের যত্ন নেওয়া যায় তবে পার্লারে যাবার প্রয়োজন নেই। পার্লারে গিয়ে চুলের পরিচর্যা করলে তা দেখতে অনেক সুন্দর হয়, কিন্তু সবসময়ে তা সম্ভব হয় না। তাই হাতের কাছে যা আছে তা দিয়েই কাজ চালাতে হবে।

আসুন দেখে নিই, চুলের যত্নে কি কি করা উচিৎ

  • চুলের ত্বকে যদি বাড়তি ময়লা জমে বা খুশকি হয়, তা হলে চুল বেশি পড়ে। তাই নিয়মিত তা পরিষ্কার রাখা দরকার, তা না হলে কিন্তু চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকবে।
  • চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পিছনে আপনার জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। যারা জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকেন, প্রচুর জল পান করেন, যাদের খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, ফলমূল, শাকসবজি থাকে তাঁদের ত্বক আর চুল দুই-ই ভালো থাকে।
  • এমন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার বেছে নেয়ার চেষ্টা করুন যা আপনার চুলের প্রকৃতির সঙ্গে মানানসই। চুলে নিয়মিত তেল লাগানোর প্রয়োজন আছে। সপ্তাহে অন্তত দু’বার শ্যাম্পু করতে হবে এবং কন্ডিশনার লাগানো আবশ্যক।
  • কন্ডিশনার না থাকলে দু’-তিন ফোঁটা নারিকেল তেল নিয়ে শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলের মধ্যে লাগিয়ে নিন। সেই সঙ্গে ব্যায়াম করুন, স্বাস্থ্য ভালো থাকলে চুলও ভালো থাকবে।
  • ভেজা চুল আঁচড়ানো উচিৎ না, তাতে চুল ভাঙে বেশি। শুকনো চুল ধীরে ধীরে আঁচড়ান, জট ছাড়ান আরও সাবধানে। জট পড়ছে মানে কিন্তু আপনার চুলের কোমলতা বা মসৃণতা বজায় থাকছে না।
  • চুলে নিয়মিত তেল লাগান। দই-মধু, অ্যালোভেরা-মধু বা নারিকেল তেল-ডিম আর লেবুর রসের মিশ্রণ চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে।
  • প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবারে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে বেশিদিন। ডাল, ডিম, সোয়াবিন, মাছ ইত্যাদি খান নিয়মিত। আয়রন একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ যৌগ উপাদান, যার অভাবে চুল গোড়া আলগা হয়ে যায়।
  • নিয়মিত শাক খাওয়া চুলের পক্ষে ভাল। খেজুর এবং লেবু জাতীয় ফল খান রোজ। এগুলি থেকে পাবেন ভিটামিন সি। লাল চালের ভাত, আটার রুটি থেকে পাওয়া যায় বায়োটিন।
  • মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, তাতে চুল জটমুক্ত হবার পাশাপাশি ভাঙে কম।
তথ্যসূত্রঃ নারি২৪.কম
ছবি সুত্রঃ ১২৩আরএফ.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *