লকডাউনের পর আনলক হয়েছে দেশ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি উন্নতির বদলে ক্রমশ খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে সংক্রামিতের সংখ্যা। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গও। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত কনটেইনমেন্ট জোনে ৯ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে এলাকাভিত্তিক কন্টেইনমেন্ট জোন ও বাফার জোনে কড়া লকডাউন শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, লকডাউন এলাকায় সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প-কারখানা, বাজার-দোকান সমস্ত কিছুই বন্ধ রয়েছে। যান চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া কেউই বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন না। সেই সময়সীমা আপাতত বাড়িয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত করা হল ৷ তবে তারপরেও লকডাউন চলবে কী না, তা পরিস্থিতি বিচার করেই সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার ৷

কলকাতা-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হল ১৯ জুলাই পর্যন্ত ৷ আজ থেকে উত্তরবঙ্গের ৫ শহরে কড়া লকডাউন ৷  লকডাউন বাড়ানো হয়েছে জলপাইগুড়ি, মালদহ, কোচবিহার, রায়গঞ্জ এবং শিলিগুড়ির কন্টেইনমেন্ট জোনগুলিতে ৷ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে চিঠি দিয়ে কলকাতা-সহ সমস্ত জেলার প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়া হয়, করোনার সংক্রমণ রুখতে পুনরায় যে লকডাউনের পথে হেঁটেছে রাজ্য, তা আপাতত ১৯ জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। সেই মতো কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা, জলপাইগুড়ি, মালদা, কোচবিহার, রায়গঞ্জ ও শিলিগুড়ি-সহ রাজ্যের সমস্ত কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে বলবৎ থাকবে লকডাউন।

কলকাতার পরেই করোনা সংক্রমণের তীব্রতা উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি। সোমবার পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৯৯২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭২ জনের। বারাসতেও পরিস্থিতি ভাল নয়। একথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে যাচ্ছে বারাসত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *