অভয় দেওলের বিস্ফোরক মন্তব্য ‘প্রত্যেক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমাকে এবং ফারহানকে প্রধান চরিত্র থেকে সরিয়ে সহকারী অভিনেতার শ্রেণীতে ফেলে দেওয়া হয়। যেখানে হৃত্বিক-ক্যাটরিনা প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত’,তাই বয়কট করেছিলাম এই অনুষ্ঠানগুলি।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু যেন আলোড়ন ফেলে দিয়েছে দেশ এবং চলচ্চিত্র জগৎ- এর অন্দরমহলে। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে সুশান্তের আত্মহত্যার খবর সামনে আসার পর থেকে একের পর চাঞ্চল্যকর মন্তব্যে টালমাটাল হিন্দি চলচ্চিত্র জগৎ। স্বজনপোষণের অভিযোগ, ‘চলচ্চিত্র মাফিয়া’দের একচেটিয়া রাজত্ব-এই সব অভিযোগে জেরবার এই জগৎ। এরমাঝেই শুক্রবার, অভয় দেওল গুরুতর অভিযোগ।

আরও পড়ুন – সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর সালমান খান, করণ জোহর ও একতা কাপুরসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে

”জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা”-এর এই অভিনেতা তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানালেন কীভাবে অ্যাওয়ার্ড শো’তে তাঁকে পাশে রাখা হয়েছে সহঅভিনেতা হিসাবে। তাঁকে এবং ফারহান আখতারকে সহ-অভিনেতা হিসাবে সমস্ত অ্যাওয়ার্ড শো’তে মনোনীত করা নিয়ে ঘোরতর আপত্তি ছিল তাঁর। হৃত্বিক রোশন ও ক্যাটরিনা কাইফকেই কেন সেই ছবির প্রধান চরিত্র হিসাবে ভাবা হয়েছিল? প্রশ্ন তুলেছেন অভয়।

তিনি লিখেছেন, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ মুক্তি পায় ২০১১ সালে। আজকাল প্রতিদিনই আমি উদ্বিগ্ন থাকি, এই ছবিটা আমাকে চলচ্চিত্র জগৎ- এর কঠিন দিকগুলো মনে করিয়ে দেয়। আমি বলতে চাই প্রত্যেক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমাকে এবং ফারহানকে প্রধান চরিত্র থেকে সরিয়ে সহকারী অভিনেতার শ্রেণীতে ফেলে দেওয়া হয়। যেখানে হৃত্বিক-ক্যাটরিনা প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত। তাহলে  এই চলচ্চিত্র জগৎ-এর যুক্তি কী বলছে ? এই ছবিটা একটা পুরুষ ও মহিলার গল্প, যাঁরা প্রেমে পড়ে এবং সেই পুরুষটিকে তাঁর বন্ধুরা সমর্থন করে জীবনে সে যা সিদ্ধান্ত সে বিষয়ে। যদিও এই বিষয় নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না ফারহান আখতারের।

আরও পড়ুন – জিয়া খানের আত্মহত্যার তদন্তে বাধা সলমনের ! বিস্ফোরক অভিযোগ জিয়ার মায়ের

এক সময় অন্যধারার ছবির পোস্টার বয় ছিলেন অভয় দেওল। তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সফল ছবি নিঃসন্দেহে ”দেব ডি”। অবশ্য কয়েকদিন আগেই সেই ছবির পরিচালক অনুরাগ কশ্যপ জানিয়েছিলেন, ”ওঁর সঙ্গে কাজ করবার খুব একটা ভালো স্মৃতি নেই আমার। শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর আমাদের সঙ্গে তেমনভাবে কোন কথাবার্তাও হয়নি’। কশ্যপ আরও বলেছেন, ছবি তৈরির সময় অভয়ের মন ভীষণ রকমভাবে চঞ্চল ছিল।’ ও চাইত শিল্প নির্ভর ছবি করতে আবার মেনস্ট্রিম ছবির সবরকম সুবিধাও পেতে। পারিবারিক দেওল উপাধিটা আসলে ও ছাড়াতে পারেনি।

প্রসঙ্গত অভয়কে শেষ দেখা গিয়েছে নেটফ্লিক্সের ‘হোয়াট আর দ্য অডস’ ছবিতে। মে মাসে প্রদর্শন শুরু হয়েছে এই ছবির, যার প্রযোজকও ছিলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *