খেজুর এর মধ্যে অনেক প্রয়োজনীয় উপকারি উপাদান যার সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন। ৩০ গ্রাম খেজুরে ক্যালোরি থাকে ৮৫, প্রোটিন .৭৫ গ্রাম , ১২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৪ গ্রাম ফাইবার। ফ্রুকটোজ, গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ এই ফল থেকে প্রচুর পরিমানে শক্তি বা এ্যানার্জির পাওয়া যায়। ভিটামিন বি-৬ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

গরম দুধের সঙ্গে খেজুর শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে। এ ছাড়া লো ব্ল্যাড প্রেসারেরও খেজুর কার্যকরী। ভিজিয়ে রাখা খেজুরের জল সকালে খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। খেজুর শরীরে গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে পারে ।

আরও পড়ুন – মাংসের থেকেও বেশি খাদ্যগুণ পাওয়া যায় এই নিরামিষ খাবারগুলিতে

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম তাজা খেজুর থেকে পাওয়া ক্যালরীর পরিমান ২৭৭। এ ছাড়াও খনিজ সমৃদ্ধ খেজুরে কোবাল্ট, বোরন, ফ্লুরিন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান রয়েছে। এ জন্যই  প্রতিদিন ৩ থেকে ৪টে খেজুর উচিৎ বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা।

আরও পড়ুন – স্ট্রোকের বিপদ কমাতে রোজ ফলের রস খান

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *