উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। শনিবার ও রবিবারের পর ফের সোমবার পাঁচিল দিয়ে পৌষ মেলার মাঠ ঘেরাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শনিবারই পাঁচিল দেওয়ার কাজে প্রতিবাদ করে তা বন্ধ করে দেয় বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি। রবিবার ‘‌পাঁচিল ঘেরা বিশ্বভারতী চাই না’‌ এই স্লোগান ও পোস্টারে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর হস্তক্ষেপে ফের মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়ার জন্য জেসিবি দিয়ে গর্ত করার কাজ শুরু হয়।

জেসিবি এনে পাঁচিল ভাঙলেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

সোমবার সকালেও ফিরল সেই জেসিবি। নিয়ে এলেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। নতুন তৈরি হওয়া পাঁচিল জেসিবি মেশিন দিয়ে তাঁরা গুঁড়িয়ে দেয়। দরজা ঠেলে তালা ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এদিন ঘটনাস্থলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাউকে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ মামলা চলার পর পরিবেশ আদালত পৌষ মেলার মাঠ ঘেরার নির্দেশ দিয়েছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ দিনের মধ্যে পাঁচিলের কাজ সম্পূর্ণ করার কথা ছিল। আর তা যাতে সুষ্ঠুভাবে করা যায় তার জন্য রাস্তায় সিসি ক্যামেরাও লাগানো হয়। কিন্তু এদিনের ঘটনায় ফের বাধা পড়ল পাঁচিল দেওয়ার কাজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *