দেশের মুখ ‘পোড়ালেন’ এক মহিলা। থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ মঠে বাংলাদেশের এক মহিলা পর্যটকের কীর্তি রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। মত্ত এবং বিবস্ত্র অবস্থায় তিনি পথচারীদের উদ্দেশে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিও করেন বলেও অভিযোগ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই মহিলার নাম ফারাহ হক। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মাধ্যমে।

সোমবার সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে চিয়াং মাই এলাকার একটি বৌদ্ধ উপসানলয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ড পুলিশ। স্থানীয় মানুষজনের অভিযোগ, ওই বৌদ্ধ উপসনালয়ের গেটে দাঁড়িয়ে-বসে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় ওই তরুণী কুরুচিকর ভাষার চিৎকার করছিলেন। সেই সময় কয়েকজন এগিয়ে এসে তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বললে তাঁদেরও গালিগালাজ শুরু করেন ফারাহ। এরপরই খবর যায় পুলিশ। পুলিশ এসে ওই মহিলাকে আটক করে স্থানীয় সুয়ান প্রুং সাইক্রিয়াটিক হাসপাতালে ভরতি করে।

থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই থানার পুলিশ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল সোমকিত ফুসোদের কথায়, ‘ফারাহ প্রথমে একজন পর্যটক হিসেবে থাইল্যান্ডে আসেন। এরপর গত এপ্রিল মাস থেকে সেখানকার একটি স্থানীয় স্কুলে ইংরেজি শিক্ষিকা হিসেবে কাজে যোগ দেয় ফারাহ হক। থাকতেন শহরেরই একটি হস্টেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভবত অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণেই এমন আচরণ করছিলেন ফারাহ। নেশার ঘোরেই নিজের শরীরের সব পোশাক খুলে বৌদ্ধ মঠের উপরে উঠে পড়েন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের সামনেই তীব্র চিৎকার করে তিনি স্লোগান দেন ও তারস্বরে চিৎকার শুরু করেন। অনেকেরই অভিযোগ, বৌদ্ধ মঠে গিয়ে তিনি নিজের ধর্মীয় স্লোগানও দিতে শুরু করেন। তাঁকে হাসপাতালে ভরতির পর তাঁর মানসিক অবস্থা পরীক্ষাও করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগেও ফারাহকে রাতে মদ্যপ অবস্থায় ওই অঞ্চলে অনেকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন বলে অভিযোগ।

ইতোমধ্যেই বিষয়টি জানানো হয়েছে থাইল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাসে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফারাহকে শাস্তি ও জরিমানা করা হতে পারে বলে খবর।

এর আগে এক দম্পতি মিশরের গাজায় অবস্থিত খুফু পিরামিডের উপরে উঠে পড়েন। ২০১৮ সালের এক রাতে পিরামিডের উপরেই পোশাক খুলে নগ্ন হয়ে যান সেই মহিলা। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরুষটি তাঁর সঙ্গে মেতে ওঠেন অবাধ যৌনতায়। সেই ঘটনাতেও নিন্দার ঝড় উঠেছিল বিশ্বজুড়ে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *